আদার উপকারিতা ও অপকারিতা

0
2099
আদার উপকারিতা
আদার উপকারিতা

আদার উপকারিতা কি কি আমাদের সকলের জানা ধরকার। কেননা আদার অনেক ধরনের উপকারিতা রহেছে।আর পাশাপাশি আদার অপকারিতা সম্পর্কে জানা ধরকার…কারন আমরা সকলে কম বেশি আদা ব্যবহার করে থাকি।

ব্যথানাশক: 

অসটিও আর্থ্রাইটিস, রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিসে শরীরের প্রায় প্রতিটি হাড়ের জোড়ায় প্রচুর ব্যথা হয়। এই ব্যাথা দূর করে আদা। তবে রান্না করার চেয়ে কাঁচা আদা এক্ষেত্রে বেশি কার্যকরী, এতে আদার পুষ্টিগুণও বেশি থাকে। শরীরের যেকোন ধরনের ব্যথাতে আদা টনিকের মতো কাজ করে।

ঋতু পরিবর্তনজনিত হালকা রোগে:

আদার উপকারিতা
আদার উপকারিতা

ঠাণ্ডায় আদা ভীষণ উপকারী। এতে রয়েছে অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল উপাদান; যা শরীরের রোগজীবাণু ধ্বংস করে। জ্বর জ্বর ভাব, গলাব্যথা ও মাথাব্যথা দূর করতে সাহায্য করে আদা। কাশি এবং হাঁপানির জন্য আদার রসের সাথে মধু মিশিয়ে সেবন করলে বেশ উপকার মেলে।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় :

দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় আদা। এক গবেষণায় দেখা গেছে, আদার রস দাঁতের মাড়িকে শক্ত করে, দাঁতের ফাঁকে জমে থাকা লুকানো জীবাণুকে ধ্বংস করে।

শরীর শীতল করে আদা

আদার রস শরীর শীতল করে এবং হার্টের জন্য এটি বেশ উপকারী।

ক্ষত শুকাতে আদা :

দেহের কোথাও ক্ষত থাকলে তা দ্রুত শুকাতে সাহায্য করে আদা। এতে রয়েছে অ্যান্টি ইনফ্ল্যামেটরি, যা কাটাছেঁড়া, ক্ষত দ্রুত ভালো করে।

হার্ট ভালো রাখেতে আদা:

রক্তের অনুচক্রিকা এবং হৃদযন্ত্রের কার্যক্রম ঠিক রাখতে আদা খুবই কার্যকর।

মাইগ্রেন, ডায়াবেটিস এ আদা:

আদার উপকারিতা
আদার উপকারিতা

মাইগ্রেনের ব্যথা ও ডায়াবেটিসজনিত কিডনির জটিলতা দূর করে আদা। গর্ভবতী মায়েদের সকাল বেলা, বিশেষ করে গর্ভধারণের প্রথম দিকে শরীর খারাপ লাগে। কাঁচা আদা দূর করে এ সমস্যা।

আমাশা চিকিৎসায় আদা :

আমাশয়, জন্ডিস, পেট ফাঁপা ইত্যাদি সমস্যায় আদা চিবিয়ে বা রস করে খেলে উপকার পাওয়া যায়। এছাড়া গলা পরিষ্কার রাখার জন্য আদা খুবই উপকারী।

রক্ত সঞ্চালন স্বাভাবিক রাখে আদা :

পরিমিত আদা খাওয়ার অভ্যাসে শরীরের রক্ত সঞ্চালন প্রক্রিয়া স্বাভাবিক হয়। আদায় রয়েছে ক্রোমিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম ও জিঙ্ক। এসব উপাদান রক্ত প্রবাহের প্রক্রিয়া স্বাভাবিক রাখে।

বমিভাব দূর করে

যানবাহনে চড়ার সময় কেউ কেউ অস্বস্তিতে ভোগেন বা কিছুক্ষণ গাড়িতে থাকার পর বমি চলে আসে। বমি বমি ভাব দূর করতে আদার ভূমিকা অপরিহার্য। বমি ভাব হলে কাঁচা আদা চিবিয়ে খেতে পারেন। এটি তাৎক্ষণিক উপকার মেলে। আর এতে মুখের স্বাদও বাড়ে।

ঠাণ্ডা-জ্বরে আদা :

আদা উপকারিতা
আদা উপকারিতা

ঠাণ্ডা লাগা ও ভাইরাস জ্বর প্রতিরোধে আদা বিশেষ ভূমিকা রাখে। আদার রস একটু গরম করে সমপরিমান মধুর সাথে মিশিয়ে দিনে কয়েকবার খেলে ঠাণ্ডা লাগা ও ভাইরাস জ্বর সেরে যায়।


পেটের পীড়ায় আদা :

পেটের অস্বস্তি বা পীড়ায় আদা একটি আদর্শ পথ্য। হজমে সহায়তার পাশাপাশি খাবারের গুণাগুণ শরীরের বিভিন্ন অংশে পৌঁছে দিতে সক্রিয় ভূমিকা রাখে আদা। কিছু খাওয়ার পর পেটব্যথায় ভোগার সমস্যা হলে তা দূর করে আদার রস। পেটে ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণও প্রতিরোধ করে এটি।

ফুসফুসের জন্য উপকারী আদা :

ফুসফুসের সাধারণ যে কোন সংক্রমণ বা রোগের ক্ষেত্রে আদা বেশ কার্যকরী। সর্দি- কাশি, শ্বাস- প্রশ্বাসের সাধারণ সমস্যা দূর করে আদা। গলা ও স্বরতন্ত্রী পরিষ্কার রাখে।

আদায় রয়েছে :

১০০ গ্রাম আদায় আছে ৮০ ক্যালরি শক্তি, কার্বোহাইড্রেট ১৭ গ্রাম, ফ্যাট ০.৭৫ গ্রাম, পটাশিয়াম ৪১৫ মিলিগ্রাম এবং ৩৪ মিলিগ্রাম ফসফরাস।

ওজন কমায় আদা :

খিদে নিয়ন্ত্রণে আদার ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। রোজ সকালে আদা কুচি নুন মাখিয়ে খেলে অকারণ খিদে পাওয়া কমবে। গরম পানিতে আদা কুচি বা থেঁতো করা আদা ফুটিয়ে খেলেও একই উপকার মিলবে। একই সঙ্গে রক্তে চিনির মাত্রা বাড়বে না। 

ত্বক-চুল ঝলমল

আদার মধ্যে আছে প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট আর ভিটামিন। যা শরীরকে নির্বিষ করে। একই সঙ্গে দেখভাল করে চুল-ত্বকেরও। তাই নিয়মিত আদা ফোটানো পানি গরম বা ঈষদুষ্ণ পানি পান করলে নিদাগ ত্বক আর কোমর ছাপানো চুল অনায়াসেই মিলবে।

অন্ত্র সুখী আদায়

আদাজল খেয়ে কাজে নামলে যেমন কাজে সাফল্য আসে তেমনি নিয়মিত আদা পানি খেলে পালায় হজমের সমস্যা। দ্রুত হজম ছাড়াও গ্যাস-অম্বলে গলা-বুক-পেট জ্বালা করা, বমিভাবসহ এমন সমস্যার সমাধান রয়েছে আদায়। পানীয়টিকে স্বাদ বানাতে মধু, লেবুর রস, পুদিনা পাতা মিশিয়ে নিতে পারেন।

প্রদাহ দূর

আদা মানেই শরীরের সমস্ত প্রদাহ কমে যাওয়া। বিশেষ করে বাতের ব্যাথায় ভোগেন যারা তাদের কাছে আদা মহৌষধি। আদার মধ্যে থাকা প্রদাহ কমানোর উপাদানের জোরেই বাতের ব্যথা ও পেশির ব্যথা থাকে নিয়ন্ত্রণে।

কমে কোলেস্টেরল

খারাপ কোলেস্টেরল কমিয়ে, ভালো কোলেস্টেরল বাড়িয়ে রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে আদা।

এই পাঁচ সমাধান ছাড়া আরও অনেক রোগের উপশমে সাহায্য করে ঘরের নিত্যপণ্য আদা। সুস্থ থাকতে আদা পানি ছাড়াও আদা চা, আদার জ্যাম, আদার স্মুদি বা স্যুপও খেতে পারেন।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় আদা :

আদাতে রয়েছে বেশিরভাগ ঠাণ্ডা-সর্দিজনিত রোগের পেছনে দায়ী রাইনো ভাইরাস দমনের শক্তিশালি রাসায়নিক উপাদান। এছাড়া এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং এটি একটি প্রাকৃতিক ব্যাথা-নাশক এবং জর প্রতিরোধী হিসেবেও কাজ করে।

আর্থ্রাইটিসের ব্যাথা দূর করে আদা :

আদা শরীরের জোড়াগুলোতে সৃষ্ট ব্যাথা এবং আর্থ্রাইটিসে আক্রান্তদের প্রদাহ দূর করে। কারণ আদাতে রয়েছে জিঞ্জারোল নামের একটি উপাদান। যা প্রদাহরোধী উপাদান। এটি প্রদাহজনক সাইটোকিন গঠন প্রক্রিয়াকে দমন করে।

আর্থ্রাইটিস অ্যান্ড রিউম্যাটোলজি-তে প্রকাশিত এক গবেষণায় দেখা গেছে, হাঁটুর অস্ট্রিওআর্থ্রাইটিসের লক্ষণগুলো ব্যাপকহারে কমিয়ে আনে আদার নির্যাস।

মাংসেপেশির ব্যাথা লাঘব করে আদা :

জিমে যাওয়ার আগে আদা খান। গবেষণায় দেখা গেছে, আদা একটি প্রাকৃতিক ব্যাথা উপশমকারী এবং প্রদাহরোধী উপাদান হিসেবে কাজ করে। ভারী ব্যায়াম করার পর মাংসপেশিতে যে ব্যাথা সৃষ্টি হয় তা দূর করে আদা।
জার্নাল অফ পেইনে প্রকাশিত একটি গবেষণায় দেখা গেছে, যারা প্রতিদিন ২ গ্রাম আদা খান তারা ব্যায়াম করার ২৪ ঘন্টা পর মাংসপেশিতে অনেক কম ব্যাথা অনুভব করেন।
দৌড়বিদ সহ অন্যান্য ক্রীড়াবিদরাও আদা থেকে উপকৃত হতে পারেন। প্রদাহ এবং মাংসপেশির ব্যাথায় ট্যাবলেটের চেয়েও বেশি কার্যকর আদা।

পেটফাঁপা দূর করে

আপনার জানেন আদা বমিরোধী। কিন্তু এটাই আদার একমাত্র পাকস্থলীজাত উপকারিতা নয়। আদা আপনার হজম শক্তি বাড়াবে এবং আপনাকে কষ্টকর এবং অস্বস্তিদায়ক পেট ফাঁপা থেকে রক্ষা করবে।
বায়ুনাশক ঔষধি উপাদান হিসেবে আদা পাচক রস এবং হজম প্রক্রিয়ার উদ্দীপনা বাড়ায়। পাশাপাশি এতে রয়েছে জিনজিয়াবিন এনজাইম যা প্রোটিন ভাঙ্গতে সহায়ক।

নারীদের ঋতুস্রাবকালীন ব্যাথা লাঘব করে

আদার সবচেয়ে বিস্ময়কর উপকারিতা হলো এটি নারীদের ঋতুস্রাবকালীন ব্যাথা লাঘব করে। জার্নাল অফ অল্টারনেটিভ অ্যান্ড কমপ্লিমেন্টারি মেডিসিনে প্রকাশিত একটি গবেষণায় দেখা গেছে, ঋতুস্রাবকালীন ব্যাথা উপশমের ক্ষেত্রে আদা ইবুপ্রোফেন ওষুধের মতোই কার্যকর।

স্মৃতি শক্তির সংরক্ষণ করে আদা :

আদার উপকারিতা

আদা আপনার মস্তিষ্ককে আলঝেইমার থেকে রক্ষা করবে। এই স্নায়ুক্ষয়ী রোগটি সৃষ্টি হয় মস্তিষ্কে অপ্রয়োজনীয় অ্যামিলয়েড প্রোটিন জমা হওয়ার মাধ্যমে। পরীক্ষাগারের এক গবেষণায় দেখা গেছে, আদা এই স্নায়ুক্ষয়ী প্রোটিন থেকে আপনার মস্তিষ্কের কোষগুলোকে প্রতিরক্ষা দিতে সক্ষম। এবং এভাবে আলঝেইমার রোগও প্রতিরোধ করতে সক্ষম। তবে মানুষের ওপর এ ব্যাপারে এখনো কোনো গবেষণা বা পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালানো হয়নি। তবে আদাকে মস্তিষ্কের জন্য স্বাস্থ্যকর খাবারের তালিকাভুক্ত করাটাই শ্রেয়।

সকালে খালি ফেটে আদা খাওয়ার পাঁচটি উপকারিতা

সকালে আদা খাওয়ার পাঁচটি উপকার রয়েছে। সেগুলো হলো- ওজন কমায় খিদে নিয়ন্ত্রণে আদার ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। রোজ সকালে আদা কুচি নুন মাখিয়ে খেলে অকারণ খিদে পাওয়া কমবে। গরম পানিতে আদা কুচি বা থেঁতো করা আদা ফুটিয়ে খেলেও একই উপকার মিলবে।

একই সঙ্গে রক্তে চিনির মাত্রা বাড়বে না। ত্বক-চুল ঝলমল আদার মধ্যে আছে প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট আর ভিটামিন। যা শরীরকে নির্বিষ করে। একই সঙ্গে দেখভাল করে চুল-ত্বকেরও। তাই নিয়মিত আদা ফোটানো পানি গরম বা ঈষদুষ্ণ পানি পান করলে নিদাগ ত্বক আর কোমর ছাপানো চুল অনায়াসেই মিলবে।

অন্ত্র সুখী আদায় আদাজল খেয়ে কাজে নামলে যেমন কাজে সাফল্য আসে তেমনি নিয়মিত আদা পানি খেলে পালায় হজমের সমস্যা। দ্রুত হজম ছাড়াও গ্যাস-অম্বলে গলা-বুক-পেট জ্বালা করা, বমিভাবসহ এমন সমস্যার সমাধান রয়েছে আদায়।

পানীয়টিকে স্বাদ বানাতে মধু, লেবুর রস, পুদিনা পাতা মিশিয়ে নিতে পারেন। প্রদাহ দূর আদা মানেই শরীরের সমস্ত প্রদাহ কমে যাওয়া। বিশেষ করে বাতের ব্যাথায় ভোগেন যারা তাদের কাছে আদা মহৌষধি। আদার মধ্যে থাকা প্রদাহ কমানোর উপাদানের জোরেই বাতের ব্যথা ও পেশির ব্যথা থাকে নিয়ন্ত্রণে।

কমে কোলেস্টেরল খারাপ কোলেস্টেরল কমিয়ে, ভালো কোলেস্টেরল বাড়িয়ে রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে আদা। এই পাঁচ সমাধান ছাড়া আরও অনেক রোগের উপশমে সাহায্য করে ঘরের নিত্যপণ্য আদা। সুস্থ থাকতে আদা পানি ছাড়াও আদা চা, আদার জ্যাম, আদার স্মুদি বা স্যুপও খেতে পারেন।

আদার অপকারিতা:

আমরা অনেকে আদার উপকারিতা সম্পর্কে জানি কিন্তু আদার অপকারিতা সম্পর্কে জানিনা ।আমাদের সকলের আদার অপকারিতা সম্পর্কে ও জানতে হবে তা না হলে অনেক বিপদে পড়তে পারেন। কারণ আদা যেমন অনেক ক্ষেত্রে শরীরের পরম বন্ধু, আবার কিছু ক্ষেত্রে তা শরীরের চরম শত্রুও বটে। তাই আদার গুণাগুণ জানার পাশাপাশি, এটা জানাটাও অত্যন্ত জরুরি যে, কারা আদার ধার-পাশ দিয়েও যাবেন না। কারা আদা এড়িয়ে চলবেন?

অন্তঃসত্ত্বার নারি:

অন্তঃসত্ত্বার সময় আদা শরীরে কড়া উদ্দীপক হিসেবে কাজ করে। সেজন্য অন্তঃসত্ত্বারা আদা খেলে, প্রিম্যাচিওর শিশু জন্মের সম্ভাবনা বেড়ে যায়। এজন্য গর্ভবতী মহিলাদের অবশ্যই আদা এড়িয়ে চলা উচিত। বিশেষত প্রেগন্যান্সির শেষ সপ্তাহগুলিতে তো আদা একদম খাওয়া ঠিক নয়।

যারা ওজন চান:

যারা রোগা হতে চান তাঁদের জন্য আদা বিশেষ উপকারী হলেও, যাঁরা শীর্ণকায়, ওজন বাড়াতে উত্সাহী তাঁদের অবশ্যই আদা এড়িয়ে চলা উচিত। কারণ আদা খিদে কমায়। এছাড়াও শরীরের চর্বি গলানোর প্রক্রিয়ায় আদা বিশেষ সহায়ক। সেজন্য যাঁরা ওজন বাড়াতে চান, আদা তাঁদের কোনও কাজে আসবে না।

ডায়বেটিস রোগে যারা ওষুধ খানঃ

ডায়বেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে যাঁরা ওষুধ খান: আদা ডায়বেটিসের লেভেল কমাতে কার্যকরী হলেও, যাঁরা ডায়বেটিস নিয়ন্ত্রণের জন্য নিয়মিত ওষুধ খান, তাঁদের ডায়েট চার্ট থেকে চিরতরে ডিলিট করে দিতে হবে আদাকে। একই কথা প্রযোজ্য উচ্চ রক্তচাপের রোগীদের জন্যও। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে যাঁরা নিয়মিত ওষুধ খান, তাঁদেরও অবশ্যই আদাকে এড়িয়ে চলা উচিত।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here