ব্রেস্ট ক্যান্সার কি?

0
919
ব্রেস্ট বা স্তনের ক্যান্সার কি?

ব্রেস্ট ক্যান্সার কি? স্তন ক্যান্সার অনেক ধরনের হয়ে থাকে, কিন্তু অধিকাংশ সময়ই স্তনের Duct / নালীর মধ্য থেকে এই ক্যান্সার শুরু হয় (Duct cell carciroma)। গবেষণায় দেখা গেছে বাংলাদেশের মহিলাদের মৃত্যুর কারণগুলোর মধ্যে  স্তন ক্যান্সারের  অবস্থান তৃতীয়। স্তন নারী ও পুরুষ উভয়ের হতে পারে।

ব্রেস্ট বা স্তনের ক্যান্সার রোগের ১০টি লক্ষণ…

১) কমবেশি সব মহিলাদের স্তনেই লাম্প থাকে। এর মধ্যে কয়েকটি ক্যানসারাস ও কয়েকটি নন-ক্যানসারাস। এই ব্রেস্ট লাম্পগুলি অনেক সময় আন্ডারআর্ম বা কলার বোনের তলাতেও দেখা যায়। এছাড়া স্তনবৃন্তের আশপাশেও এই ধরনের লাম্প থাকে যেগুলি টিপলে শক্ত লাগে এবং অবস্থান পরিবর্তন করে না। এমন কিছু দেখলে অবিলম্বে চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। ব্রেস্ট ক্যান্সার কি?

২) কোনও রকম র‌্যাশ নেই স্তনে, তবু ইচিং বা চুলকানির মতো অনুভূতি হচ্ছে, এমন কিছু কিন্তু ক্যানসারের লক্ষণ। অনেক সময় এর সঙ্গে নিপ্‌ল থেকে হালকা হালকা রস‌ নিঃসৃত হয়, স্তনের ত্বকেও কিছুটা পরিবর্তন আসে। তাই চুলকানির মতো কিছু হলে নিজে থেকে কোনও ক্রিম বা লোশন লাগাবেন না। আগে চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলবেন। 

স্তনে টিউমার

৩) স্তনে টিউমার থাকলে তা আশপাশের ব্রেস্ট টিস্যুগুলির উপর চাপ সৃষ্টি করে এবং তার ফলে স্তনে একটা ফোলা ফোলা ভাব দেখা যায়। এরই সঙ্গে স্তনে লাল ভাবও থাকে। স্তনে হাত দিলে বা চাপ দিলে ব্যথাও লাগে।

৪) কাঁধ এবং ঘাড়ের ব্যথাও ব্রেস্ট ক্যানসারের লক্ষণ হতে পারে কারণ এই ক্যানসার স্তন থেকে খুব সহজেই ছড়িয়ে পড়ে শরীরের এই অংশগুলিতে। এই সমস্ত জায়গায় ব্যথা হলে সাধারণের পক্ষে জানা সম্ভব নয় তা মাস্‌ল পেইন নাকি ক্যানসারের কারণে ঘটছে। তাই পরীক্ষা করে নেওয়াই ভাল। ব্রেস্ট ক্যান্সার কি?

স্তনের আকার এবং সাইজ পরিবর্তনও

৫) স্তনের আকার এবং সাইজ পরিবর্তনও এই ক্যানসারের লক্ষণ হতে পারে। সচরাচর এই বিষয়টি পার্টনারের চোখেই বেশি পড়ে। তেমন কিছু শুনলে বিষয়টি উড়িয়ে দেবেন না। নিজেই আয়নার সামনে স্তনটি পরীক্ষা করুন এবং ক্যানসারের পরীক্ষা করিয়ে নিন।

৬) স্তনে লাম্প সব সময় বড় আকারের হয় না। ছোট ছোট ফুসকুড়ির মতো লাম্পও দেখা যায় স্তনবৃন্তের আশপাশে। অন্তর্বাস পরে থাকার সময় যদি ঘর্ষণ অনুভব করেন, বিছানায় শোওয়ার সময় যদি ব্যথা লাগে তবে চিকিৎসকের কাছে যেতে দেরি করবেন না। 

ব্রেস্টফিডিং করছেন না

৭) ব্রেস্টফিডিং করছেন না অথচ স্তনবৃন্ত থেকে অল্প অল্প দুধের মতো জলীয় পদার্থ নিঃসরণ হচ্ছে এমনটা দেখলে সঙ্গে সঙ্গে চিকিৎসকের কাছে যাবেন। এটি ব্রেস্ট ক্যানসারের অন্যতম বড় লক্ষণ। অনেক সময় স্তনবৃন্ত থেকে রক্ত পড়তেও দেখা যায়।

৮) স্তনবৃন্ত হল স্তনের অসম্ভব সংবেদনশীল অংশ। যদি দেখেন যে স্তনবৃন্ত স্পর্শ করলেও তেমন একটা অনুভূতি হচ্ছে না বা একেবারেই অনুভূতিহীন হয়ে গিয়েছে তবে তা ব্রেস্ট ক্যানসার হওয়ার সম্ভাবনা খুবই বেশি। স্তনবৃন্তের ত্বকের তলায় ছোট ছোট টিউমার তৈরি হলেই এমনটা হয়। ব্রেস্ট ক্যান্সার কি?

স্তনবৃন্ত চ্যাপ্টা হয়ে যাওয়া

৯) স্তনবৃন্ত চ্যাপ্টা হয়ে যাওয়া, বেঁকে যাওয়া বা স্তনবৃন্তের শেপ অসমান হয়ে যাওয়া ক্যানসারের লক্ষণ, বিশেষ করে যদি ব্রেস্টফিডিং না চলাকালীন অবস্থাতেও এই বিষয়গুলি চোখে পড়ে। সঙ্গীকে বলুন ভাল করে পর্যবেক্ষণ করতে। সামান্য সন্দেহ হলেই চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।ব্রেস্ট বা স্তনের ক্যান্সার কি?

১০) স্তনের উপরের ত্বক খসখসে হয়ে যাওয়া, অনেকটা কমলালেবুর খোসার মতো, ক্যানসারের প্রাথমিক স্টেজের লক্ষণ। দিনের মধ্যে একটা সময় তাই ভালভাবে স্তনটি পর্যবেক্ষণ করা উচিত। যে কোনও লক্ষণ চোখে পড়লেই দেরি না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন এবং পরীক্ষা করান। 

ঘরে বসেই স্তন পরীক্ষা

১) গোসলের সময়: গোসলের সময় ভেজা চামড়ার উপর আঙুল ছবির মতো চ্যাপ্টা করে ধীরে ধীরে চালনা করতে হবে। বাঁ দিকের স্তনের জন্য ডান হাত ও ডান দিকের স্তনের জন্য বাঁ হাত ব্যবহার করতে হবে। দেখতে হবে কোনো চাকা, গুটি বা শক্ত দলার মতো কিছু অনুভূত হয় কি না।

২) আয়নার সামনে: প্রথমে হাত দু’পাশে থাকবে, তারপর হাত দুটি সোজা করে মাথার উপর তুলতে হবে। এবার সতর্কভাবে লক্ষ্য করে দেখতে হবে যে, স্তনবৃন্ত বা অন্য কোনো অংশ ফুলে আছে কি না অথবা কোনো অংশে লালচে ভাব বা টোল পড়া অংশ আছে কি না।

কোমরে হাত দিয়ে

এবার কোমরে হাত দিয়ে কোমরে চাপ দিতে হবে। এখন ডান ও বাম স্তন দুটোই ভালোভাবে দেখতে হবে। কোনোরকম অস্বাভাবিক পরিবর্তন চোখে পড়ে কি না। তবে এক্ষেত্রে বলে রাখা প্রয়োজন, খুব কম নারীরই দুটো স্তন দেখতে একই রকম হয়। প্রতিনিয়ত এই পরীক্ষা করলে স্তনের স্বাভাবিক অবস্থা বোঝা যাবে ও অস্বাভাবিক কোনো পরিবর্তন হলে তা চোখে পড়বে।

৩) মাটিতে শুয়ে: মাটিতে অথবা বিছানায় চিত হয়ে শুয়ে পড়তে হবে। এরপর ডান স্তন পরীক্ষার জন্য ডান দিকে ঘাড়ের নিচে একটি বালিশ বা ভাঁজ করা কাপড় দিয়ে উঁচু করতে হবে এবং ডান হাত মাথার পেছনে রাখতে হবে। এবার বাম হাতের আঙুলগুলো চ্যাপ্টা করে ডান স্তনের উপর রাখতে হবে।

ঘড়ির কাঁটা ঘোরার দিকে

ঘড়ির কাঁটা ঘোরার দিকে চক্রাকারে হাত ঘোরানো শুরু করতে হবে। এক্ষেত্রে বলে রাখা জরুরি, স্তনের নিচের অংশ কিছুটা শক্ত মনে হতে পারে। এটা স্বাভাবিক বিষয়। এভাবে চক্রাকারে হাত ঘুরে আসার পর স্তনবৃন্তের দিকে এগিয়ে যেতে হবে। এক ইঞ্চি অগ্রসর হবার পর একইভাবে চক্রাকারে আবার স্তন পরীক্ষা করতে হবে।

সবশেষে স্তনবৃন্তকে বৃদ্ধাঙ্গুলি ও তর্জনীর মধ্যে ধরে চাপ দিতে হবে এবং দেখতে হবে কোনো কিছু নিঃসরিত হয় কি না।ব্রেস্ট ক্যান্সার কি?

পরীক্ষাগুলো

এই পরীক্ষাগুলো করবার সময় যদি স্তনে কোনো ধরনের শক্ত চাকা, গোটা বা দলা অনুভূত হয় অথবা স্তনের বোঁটা হতে কিছু নিঃসরিত হয়, তবে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।

এভাবে মাসে অন্তত দুবার ঋতুচক্রের নির্দিষ্ট সময়ে প্রত্যেক নারীর স্তন পরীক্ষা করা উচিত। নিয়মিতভাবে নিজের স্তনের যেকোনো অস্বাভাবিক চাকা বা টিউমার শনাক্ত করার জন্য হাত দিয়ে পরীক্ষা করে দেখার এই পদ্ধতিকে বলা হয় সেলফ ব্রেস্ট এক্সাম। এই সেলফ ব্রেস্ট এক্সামই পারে স্তন ক্যান্সার প্রতিরোধে অনেক বড় ভূমিকা রাখতে।

যেসব উপাদান স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায়

১. মহিলা: মহিলাদের স্তন ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি পুরুষদের চেয়ে বেশি।
২. বয়স: যত বয়স বৃদ্ধি হতে থাকে, স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি ততোই বাড়তে থাকে। অল্প বয়সের মহিলাদের চেয়ে বয়স্ক মহিলাদের বিশেষ করে ৫৫ বছরের বেশি বয়সী মহিলাদের স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বেশি থাকে।


৩. পূর্বে স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে থাকলে: যদি কারো পূর্বে একটি স্তনে ক্যান্সার হয়ে থাকে, তবে তার অন্য স্তনেও ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
৪. পরিবারে স্তন ক্যান্সারের ইতিহাস থাকলে: যদি কারও মা, বোন অথবা মেয়ের স্তন ক্যান্সার হয়ে থাকে তবে তার স্তনে ক্যান্সারের আশঙ্কা অনেক গুণ বেশি। তবে স্তন ক্যান্সার ধরা পড়েছে, এমন ব্যক্তিদের অধিকাংশরই কোনো পারিবারিক ইতিহাস নেই।

তেজস্ক্রিয়তা:

৫. তেজস্ক্রিয়তা: শিশু অথবা তরুণ প্রাপ্তবয়স্ক তেজস্ক্রিয়/বিকিরণ রশ্মি দিয়ে চিকিৎসা করলে পরবর্তী জীবনে তার স্তন ক্যান্সারের বিকাশের সম্ভাবনা থাকে।
৬. স্থূলতা: মাত্রাতিরিক্ত ওজন (অথবা মোটা) স্তন ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি বৃদ্ধি করে।

চর্বি ইস্ট্রোজেন হরমোন উৎপাদন করে, যা ক্যান্সারের জ্বালানি হিসেবে কাজ করে।
৭. তাড়াতাড়ি ঋতুস্রাব: ১২ বছর বয়স হওয়ার আগে ঋতুস্রাব হলে তা স্তন ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি বাড়ায়।ব্রেস্ট বা স্তনের ক্যান্সার কি?

দেরিতে মেনোপজ:

৮. দেরিতে মেনোপজ: ৫৫ বছর বয়সের পর যদি মেনোপজ হয়, তা স্তন ক্যান্সারের বিকাশ ঘটাতে পারে।
৯. দেরিতে গর্ভধারণ: ৩৫ বছরের পরে যদি কোনো মহিলা প্রথম সন্তান জন্ম দেয় তবে স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি বেড়ে যায়।

১০. হরমোন চিকিৎসা: ঋতুজরার লক্ষণ ও উপসর্গ সমূহের জন্য যেসব মহিলা ইস্ট্রোজেন ও প্রজেস্টেরনে মিলিত হরমোনের চিকিৎসা নেন, তাদের স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি বেশি থাকে।
১১. মদ্যপান: অতিরিক্ত মদ্যপান স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায়।

এসকল ঝুঁকি থাকলে নারীদের সতর্ক থাকতে হবে ও নিয়মিত স্তন পরীক্ষা করতে হবে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, কিছু সহজ নিয়ম মেনে চললে স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি অনেকাংশেই এড়ানো যায়।

এই সহজ নিয়মগুলো হলো-

১. শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। বিশেষত, স্থূলতার সাথে স্তন ক্যান্সারের একটি যোগসূত্র রয়েছে।
২. প্রত্যেক নারীরই প্রতিদিন আধঘণ্টা ব্যায়াম অথবা যেকোনো ধরনের শারীরিক পরিশ্রম করা উচিত। কেননা এটা নারীদের স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি থেকে অনেকাংশে মুক্ত রাখে।

৩. স্বাস্থ্যসম্মত খাবার খেতে হবে। সবজি জাতীয় খাবার যেমন, বাঁধাকপি, ফুলকপি, ফলমূল ইত্যাদি খাবার বেশি খেতে হবে। এ ধরনের সবজি খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুললে স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি এড়ানো যায়।
৪. অতিরিক্ত মদ্যপান বা মদ্যপান থেকে বিরত থাকতে হবে।

স্তন ক্যান্সার কোনো লজ্জার বিষয় নয়

স্তন ক্যান্সার কোনো লজ্জার বিষয় নয় বা কোনো গোপন রোগ নয়। প্রতি ৬ মিনিটে একজন নারী যে ক্যান্সারে আক্রান্ত হচ্ছেন, সেটাকে লজ্জার বা গোপন রোগ ভাববার আর কোনো সুযোগ নেই। আমাদের সকলের সচেতনতাই পারে স্তন ক্যান্সার প্রতিরোধ করতে।

অক্টোবর মাস

অক্টোবর মাস ব্রেস্ট ক্যান্সার সচেতনতার মাস।আজ ১৩ই অক্টোবর “No bra day”..
এ একটা দিন অন্তত বাড়িতে ব্রা খুলে নিজের স্তন দুটোকে পরীক্ষা করুন।এই ক্যন্সারে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দিনকে দিন বাড়ছেই।কেবল নারী ই নয়,পুরুষও আক্রন্ত হচ্ছে ব্রেস্ট ক্যান্সারে।এই রোগ কেন হয়,এর লক্ষণ, প্রতিরোধ ও প্রতিকারের উপায় এখনই জেনে নিন গুগল ঘেটে।.লজ্জাকে দূরে সরিয়ে এখনই শেয়ার করে সচেতনতা ছড়িয়ে দিন।

জীবন মৃত্যুর

ব্যাপারটা যখন জীবন মৃত্যুর,তখন লজ্জা অনেক পরের বিষয়।এই [জনপ্রিয় মার্কিন অভিনেত্রী এ্যঞ্জেলিনা জোলির নাম হয়তো আপনারা অনেকেই শুনেছেন। অ্যাঞ্জেলিনা জোলির ক্যান্সারের ঝুঁকি কমানোর জন্য তাঁর উভয় স্তন অপসারণ ও কৃত্রিম ভাবে পুনরায় স্থাপনের খবরটি এখন আমরা কমবেশি সবাই জানি।

এতে করে তিনি তার ব্রেস্ট ক্যান্সারের ঝুকি ৮৭% থেকে ৫% এ কমিয়ে এনেছেন।.এই সাহসী সিদ্ধান্ত নেয়া জোলির পক্ষে মোটেও সহজ কোনো বিষয় ছিল না। দেহে জন্মসুত্রে পাওয়া জরায়ু এবং স্তনক্যান্সারের জন্য দায়ি বিপদজনক BRCA1 জিন ধরা পরার পরই তিনি এই কঠিন কিন্তু দরকারি সিদ্ধান্তটি নেন।

৫৩ বছর বয়সে

তার মা মাত্র ৫৩ বছর বয়সে এই একই জিনের কারনে স্তন ক্যন্সারে মারা যান। স্তন ক্যান্সার নিয়ে যারা গবেষনা করছে তাদের অনেকেই বলছেন, জোলির এ উদ্যোগ আজকের নারীসমাজের চিন্তা-চেতনায় যোগ করবে নতুন মাত্রা।

জোলির এমন মহতী পদক্ষেপকে প্রশংসা করেছে বিশ্বগণমাধ্যমও।.বিশ্বখ্যাত ‘টাইম’ ম্যাগাজিন অ্যাঞ্জেলিনা জোলির এই সাহসী উদ্যোগ নিয়ে প্রচ্ছদ প্রতিবেদন করেছিল। ‘দি অ্যাঞ্জেলিনা ইফেক্ট’ শিরোনামে ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, আমরা সবাই মাঝেমধ্যে রোগাক্রান্ত হই।

অনেক রোগ আবার প্রাণঘাতী

এটা একটা সাধারণ হিসাব। অনেক রোগ আবার প্রাণঘাতী। রোগাক্রান্ত হন বিখ্যাত ব্যক্তিরাও। ১৯৮৫ সালে হলিউডের হার্টথ্রব অভিনেতা রক হাডসন এইডসে মারা যান। অথচ তিনি ছিলেন এমন দেশের বাসিন্দা, ধারণা করা হতো যে কোনো রোগ সহজেই প্রতিরোধ করতে সক্ষম সেই দেশ।

.কিন্তু রোগ মানে না কোনো দেশ বা সেলিব্রেটি। এটা ভালো করেই বুঝেছিলেন জোলি। তাইতো সৌন্দর্যহানির চিন্তাকে বড় করে দেখেননি।

এই সাহসী

জোলির এর সাহসী পদেক্ষেপ সবাইকে জানানোর মাধ্যমে বিশ্বের সকল নারীকে স্তন এবং জরায়ুর ক্যান্সার রোধে প্রতিষেধকের চাইতে প্রতিরোমূলক সুযোগ গ্রহনের বিষয়টিকে সামনে নিয়ে এসেছেন। জেনেটিক টেস্টিংকে নিয়ে এসেছে আলোচনার টেবিলে।

নিউইয়র্ক টাইমস এর সাথে

নিউইয়র্ক টাইমস এর সাথে এক সাতক্ষাৎকারে জোলি বলেন, আমি আশা করি আমার অভিজ্ঞতা থেকে অন্য নারীরাও উপকৃত হবেন। কারণ, ক্যান্সার এখনও এমন একটি শব্দ, যাকি-না আতঙ্ক তৈরি করে মানুষের হৃৎপিণ্ডে।

এক ব্যক্তিগত নোটে জোলি লিখেছেন, ‘নিজেকে একজন নারীর চেয়ে কম কিছু ভাবি না আমি। তা সত্ত্বেও আমি এমন কঠোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি, যা আমার নারীত্বকেই খর্ব করেছে।ব্রেস্ট ক্যান্সার কি?

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here