৪০ টি প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য টিপস

0
1042
স্বাস্থ্য টিপস

য়স্বাস্থ্যসচেতনতায় আরও একটু বেশি সক্রিয় হওয়া সবসময়ই উচিত। স্বাস্থ্যই সকল সকল মূল কথাটি মিথ্যে নয়, তাই নজর রাখুন সাস্থ্যের প্রতি। মেনে চলুন সাস্থ্য রক্ষায় উপকারী নিয়মগুলো। আজ তেমনই উপকারী ৪০ টি স্বাস্থ্য টিপস নিয়ে এসেছি আপনার জন্য..

ঠোটেঁ কালো ছোপ পড়লে :

১. ঠোটেঁ কালো ছোপ পড়লে কাঁচা দুধে তুলো ভিজিয়ে ঠোটেঁ মুছবেন। এটি নিয়মিত করলে ঠোটেঁর কালো দাগ উঠে যাবে।

২. টমেটোর রস ও দুধ একসঙ্গ মিশিয়ে মুখে লাগালে রোদে জ্বলা বাব কমে যাবে।

হাড়িঁ-বাসন ধোয়ার পরে :

৩. হাড়িঁ-বাসন ধোয়ার পরে হাত খুব রুক্ষ হয়ে যায়। এজন্য বাসন মাজার পরে দুধে কয়েক ফোঁটা লেবু মিশিয়ে হাতে লাগান। এতে আপনার হাত মোলায়েম হবে।

কনুইতে কালো ছোপ দূর করতে :

৪. কনুইতে কালো ছোপ দূর করতে লেবুর খোসায় টিনি দিয়ে ভালো করে ঘষে নিন। এতে দাগ চলে গিয়ে কনুই নরম হবে।

মুখের ব্রণ দূর করতে :

৫. মুখের ব্রণ আপনার সুন্দর্য নষ্ট করে। এক্ষেত্রে রসুনের কোয়া ঘষে নিন ব্রণের উপর। ব্রণ তাড়াতাড়ি মিলিয়ে যাবে।

লিগমেন্টেশন বা কালো দাগ থেকে মু্ক্তি পেতে :

৬. লিগমেন্টেশন বা কালো দাগ থেকে মু্ক্তি পেতে আলু, লেবু ও শসার রস এক সঙ্গে মিশিয়ে তাতে আধ চা চামচ গ্লিসারিন মিশিয়ে যেখানে দাগ পড়েছে সেখানকার ত্বকে লাগান।

চুল পড়া বন্ধ করতে :

৭. চুল পড়া বন্ধ করতে মাথায় আমলা, শিকাকাই যুক্ত তেল লাগান।

৮. তৈলাক্ত ত্বকে ঘাম জমে মুখ কালো দেখায়। এক্ষেত্রে ওটমিল ও লেবুর রস একসঙ্গে মিশিয়ে মুখে লাগিয়ে রাখবেন আধা ঘন্টা। আধা ঘন্টা পর ঠান্ডা পানিতে মুখ ধুয়ে নিন।

৯. যাদের হাত খুব ঘামে তারা এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে লাউয়ের খোসা হাতে লাগিয়ে রাখুন কিছুক্ষণ।

মাথাব্যথা হলে :

১০. মাথাব্যথা হলে প্রচুর মাছ খান। মাছের তেল মাথাব্যথা প্রতিরোধে দারুণ কার্যকর। খেতে পারেন আদা। প্রদাহ এবং ব্যথা নিরাময়ে তা বিশেষভাবে কার্যকর।

অনিদ্রার সমস্যায় :

১১. অনিদ্রার সমস্যায় মধু কার্যকর। ঘুম বা নিদ্রা হচ্ছে মানুষ এবং অন্যান্য প্রাণীর দৈনন্দিন কর্মকাণ্ডের ফাঁকে বিশ্রাম নেওয়ার একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। যখন সচেতন ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া স্তিমিত থাকে। নিষ্ক্রিয় জাগ্রত অবস্থার সঙ্গে ঘুমন্ত অবস্থার পার্থক্য হলো এ সময় উত্তেজনায় সাড়া দেওয়ার ক্ষমতা হ্রাস পায় এবং শীতনিদ্রা বা কোমার চেয়ে সহজেই জাগ্রত অবস্থায় ফেরত আসা যায়। ঘুম একটি জটিল প্রক্রিয়া। আমরা জীবনের এক-তৃতীয়াংশ সময় ঘুমিয়ে কাটাই। ঘুমানোর কারণ সম্বন্ধে বিজ্ঞানীরা এখনো পুরোপুরি জানতে পারেননি এবং তা নিয়ে এখনো গবেষণা চলছে।

পেটের পীড়ায় খেতে পারেন : 

১২. পেটের পীড়ায় খেতে পারেন কলা, আদা। আদা মর্নিং সিকনেস এবং বমি বমিভাব দূর করে।

পেটের পীড়ার সমস্যায় ভোগেন অনেকে। পেটের পীড়ার সমস্যা মূলত হয়ে থাকে খাবার ও পানির কারণে। ঘরে বাইরে যেখানেই থাকেন বিশুদ্ধ পানি পান করুন। এছাড়া ভেজাল খাবারের কারণে পেটের পীড়া হতে পারে।

গ্রীষ্ম ও বর্ষাকালে এ পীড়ার প্রাদুর্ভাব বেশি হয়। পেটের পীড়া বলতে আমরা সাধারণত বুঝি আমাশয়, ডায়রিয়া, পেটের ব্যথা কিংবা হজমের অসুবিধা।

পেটের পীড়াকে দু’ভাগে ভাগ করা যায়।

প্রথমত, খাদ্যনালি (পাকস্থলী, অগ্ন্যাশয়, ক্ষুদ্রান্ত্র কিংবা বৃহদান্ত্রের রোগ)।

দ্বিতীয়ত, লিভারের প্রদাহ।

খাদ্যনালির কারণজনিত পেটের পীড়াকে দু’ভাগে ভাগ করা যেতে পারে।

১. স্বল্পমেয়াদি পেটের পীড়া ২. দীর্ঘমেয়াদি পেটের পীড়া

থানকুনি পাতার ব্যবহার আদি আমল থেকেই চলে আসছে। ছোট্ট প্রায় গোলাকৃতি পাতার মধ্যে রয়েছে ওষুধি সব গুণ। থানকুনি পাতার রস রোগ নিরাময়ে অতুলনীয়। থানকুনি আমাদের দেশের খুব পরিচিত একটি ভেষজ গুণসম্পন্ন উদ্ভিদ।

চিকিৎসার অঙ্গনে থানকুনি পাতার অবদান অপরিসীম। প্রক্রিয়াজাতকরণের মাধ্যমে বহু রোগের উপশম হয় এর ভেষজ গুণ থেকে। খাদ্য উপায়ে এর সরাসরি গ্রহণ রোগ নিরাময়ে থানকুনি জুড়ি নেই।

ঔষধি গুণসম্পন্ন থানকুনি পাতা খেতে পারেন রস করে অথবা বেটেও। তরকারিতে কুচি করে মিশিয়ে দিতে পারেন। চাইলে চায়ের সঙ্গেও মিশিয়ে নিতে পারেন এটি। নিয়মিত থানকুনি পাতা খেলে দূরে থাকতে পারবেন বিভিন্ন রোগ থেকে।

আসুন জেনে নেই থানকুনি পাতা কেন খাবেন?

হজম শক্তি

হজম শক্তি বাড়াতে পারে থানকুনি পাতা। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, থানকুনি পাতায় উপস্থিত একাধিক উপকারি উপাদান হজমে সহায়ক অ্যাসিডের ক্ষরণ যাতে ঠিক মতো হয় সেদিকে খেয়াল রাখে।

অ্যাসিডিটি

পেটের সমস্যা লেগেই থাকে? নিয়মিত থানকুনি পাতা খান, দূর হবে পেটের সমস্যা। এছাড়া অ্যাসিডিটি দূর করতেও জুড়ি নেই থানকুনি পাতার। দুধের সঙ্গে মিসরি ও থানকুনি পাতার রস মিশিয়ে পান করুন প্রতিদিন।

পেটের সমস্যা

আলসার এগজিমা, হাঁপানি, চুলকানি ও অন্যান্য চর্মরোগ সারাতে থানকুনি অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা পালন করে। নিয়মিত থানকুনির রস খেলে ত্বক ও চুল সুন্দর থাকে। জ্বর পেটের পিড়া, আমাশয়য়, আলসার, বাতের বাথা বিভিন্ন অসুখের ওষুধ হিসেবে এটির ব্যাবহার রয়েছে। কাশি ও ঠাণ্ডা

কাশি ও ঠাণ্ডা লাগার সমস্যা দূর করতে থানকুনি পাতার রসের সঙ্গে মধু মিশিয়ে খান। নানাভাবে একাধিক ক্ষতিকর টক্সিন আমাদের শরীরে ও রক্তে প্রবেশ করে। প্রতিদিন সকালে অল্প পরিমাণ থানকুনি পাতার রসের সঙ্গে ১ চামচ মধু মিশিয়ে খেলে রক্তে উপস্থিত ক্ষতিকর উপাদানগুলি বেরিয়ে যায়।

ভিটামিন সি যুক্ত

ভিটামিন সি যুক্ত থানকুনি পাতা নিয়মিত খেলে বাড়ে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা। থানকুনি পাতায় উপস্থিত অ্যামিনো অ্যাসিড, বেটা ক্যারোটিন, ফ্যাটি অ্যাসিড এবং ফাইটোকেমিকাল ত্বকের ভেতর থেকে পুষ্টির ঘাটতি দূর করে।

ঠান্ডা লাগলে করনীয়ঃ

১৩. ঠান্ডা লাগলে রসুন খান।আপনার কি সকাল হলেই নাক বন্ধ হয়ে আসে? হাঁচি হচ্ছে? খুসখুসে কাশিতে রাতে ঘুমাতে পারছেন না? অনেক সর্দি লেগেছে। শীতকালে আসলে এগুলো খুবই সাধারণ রোগ। কারণ বাইরে ঠান্ডা বাতাস আর ঘরের ভেতরে গরম। এ সমস্যার জন্য অসুস্থ হয়ে পড়ছেন দিনে দিনে। জেনে নিন ঘরোয়া পদ্ধতিতে কীভাবে ঠান্ডাকে প্রতিরোধ করবেন-

গোল মরিচ: গোল মরিচ সর্দি-ঠান্ডা রোধে বিশেষ ভূমিকা পালন করে। এ জন্য প্রথমে এক গ্লাস হালকা পানি নিতে হবে। তারপর মধ্যে এক চা চামচ গোল মরিচগুড়োর সঙ্গে দুই চা চামচ মধু মিশিয়ে ১৫ মিনিটের মতো রেখে দিতে হবে। গোল মরিচের দানাগুলো গ্লাসের নিচে জমা হলে ঐ পানি ধীরে ধীরে পান করতে হবে। এতে খুব তাড়াতাড়িই ঠান্ডা থেকে মুক্তি পাবেন।  অর্থাৎ সর্দি, কাশি ও হাঁচি এসকল সমস্যা থেকেই খুব সহজে মুক্তি মেলবে।

লবঙ্গ: শীতের হাওয়া শরীরে ও মনে নাচন ধরিয়ে দিচ্ছে বলা যেতেই পারে। শীত মানেই পিকনিক, ঘুরে বেড়ানো সেই সঙ্গে শীত মানেই ঠান্ডা লাগা, গলা ব্যথা  খুসখুসে কাশি হওয়া। এ ঠান্ডা লাগার হাত থেকে লবঙ্গ বাঁচাতে পারে। এ জন্য কয়েক টুকরো লবঙ্গ নিতে হবে। সেগুলো পানিতে লবণসহ জ্বাল দিতে হবে। এ পানি হালকা গরম থাকতেই খেয়ে নিন। এছাড়াও আরেকটি পদ্ধতি রয়েছে। কিছু লবঙ্গ ও আদা পানিতে মিশিয়ে গারগল করতে পারেন। যারা গারগল করতে পারেন না তারা লবঙ্গ ও আদা মিশ্রিত পানি হালকা গরম থাকা অবস্থায় খেয়ে নিতে পারেন। কারণ এ পানিতে কোনো পার্শ্ব পতিক্রিয়া নেই। স্বাস্থ্য টিপস

আলসারের সমস্যায় করনীয়ঃ

১৪. আলসারের সমস্যায় বাঁধাকপি বিশেষভাবে উপযোগী। এতে থাকা খাদ্যোপাদান গ্যাস্ট্রিক এবং ডিওডেনাল আলসার হিল করতে সাহায্য করে।

স্তন ক্যান্সার প্রতিরোধে করনীয়ঃ

১৫. স্তন ক্যান্সার প্রতিরোধে গমজাত খাদ্য, বাঁধাকপি কার্যকর।

ক্যান্সারের নাম শুনলেই মানুষ আজও মৃত্যুভয়ে আঁতকে ওঠেন।  আর এই ক্যান্সার যখন কোনো নারী দেহে বাসা বাঁধে, তখন সামাজিকভাবে তাদের যথেষ্ট হেয় প্রতিপন্ন হতে হয় সভ্যতার এই চরম উৎকর্ষের যুগেও। অদ্ভুত কিছু সামাজিক কুসংস্কার ও গোঁড়ামির কারণে আমাদের সমাজে, শহরের বাইরে, বিশেষ করে গ্রামেগঞ্জের নারীর স্তন ক্যান্সার নিয়ে সচেতনতা কিংবা প্রতিরোধের চিন্তাই নেই। কিন্তু জীবনের থেকেও কী এই সংকোচবোধ বা কুসংস্কার বেশি দামি? আপনি কি কখনই চাইবেন আপনার মা, বোন কিংবা স্ত্রী-কন্যা এই মরণব্যাধিতে আক্রান্ত হোক? তাই ক্যান্সার নিয়ে চাই ব্যাপক আলোচনা আর প্রচারণা। নিজে সতর্ক হতে হবে, অপরও এই মরণব্যাধি থেকে রক্ষা করতে নারীর স্তন ক্যান্সার সম্পর্কে সচেতনতা প্রয়োজন। ক্যান্সার বিষয়ক বিভিন্ন জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংস্থার গবেষণা অনুযায়ী, বাংলাদেশে প্রতি বছর নতুন করে প্রায় ১৫ হাজার নারী স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়, যার মধ্যে ৭ হাজারই মৃত্যুবরণ করেন। হতাশার কথা হলো আক্রান্তদের প্রায় ৭০ ভাগ চিকিৎসকের কাছে আসেন একেবারে শেষ পর্যায়ে। ফলশ্রুতিতে সঠিক সময়ে রোগ নির্ণয় এবং চিকিৎসা শুরু না হওয়ায় মৃত্যু হয় অধিকাংশ নারীর। অথচ প্রাথমিক পর্যায়ে রোগটি শনাক্ত হলে এবং চিকিৎসার সুযোগ পেলে, আক্রান্ত রোগীর ৯০ শতাংশেরই অকাল মৃত্যু রোধ করা সম্ভব।

কী কারণে স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ে :

কী কারণে স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ে : জীবনযাত্রার আমূল পরিবর্তন প্রথমত এর জন্য দায়ী। প্রচুর ফাস্টফুড গ্রহণ, অল্প বা একেবারেই সবুজ শাকসবজি না খাওয়া, অলস জীবনযাপন বা কম শারীরিক পরিশ্রম, অতিরিক্ত স্থূলতা স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায়। এ ছাড়া বয়স্ক মহিলা, যাদের স্তন ক্যান্সারের পারিবারিক ইতিহাস আছে, দেরিতে বাচ্চা নেওয়া, বাচ্চাকে বুকের দুধ দিতে অনীহা বা অপারগতা, অল্প বয়সে মাসিক শুরু হওয়া, দেরিতে মাসিক বন্ধ হওয়া, মদ্যপানসহ শরীরে অন্য কোনো ক্যান্সার যেমন-কোলন, ডিম্বাশয়ে ক্যান্সার থাকলে স্তন ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে। স্তন ক্যান্সারের লক্ষণগুলো স্তনে চাকা অনুভূত হওয়া, স্তনের চামড়ার রং পরিবর্তন হওয়া এবং কোনো ক্ষত সৃষ্টি হওয়া, স্তনের বোঁটা দিয়ে রক্ত বা পুঁজ বের হওয়া, স্তনের বোঁটা ডেবে বা বসে যাওয়া ইত্যাদি স্তন ক্যান্সারের প্রধান লক্ষণ।

কীভাবে স্তন ক্যান্সার প্রতিরোধ করবেন :

কীভাবে স্তন ক্যান্সার প্রতিরোধ করবেন : সবচেয়ে সহজ পদ্ধতি হলো, ‘নিজে নিজের হাতে স্তন পরীক্ষা’ করা সর্বোৎকৃষ্ট এবং সহজ উপায়। একজন মহিলা যে কোনো বয়সেই স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত হতে পারেন। তাই ২০ বছর বয়স থেকেই প্রতিমাসে একবার নিজেই স্তন পরীক্ষা করুন। প্রত্যেক মাসে নিজ স্তনের পরীক্ষা করাকে একটি অভ্যাস বানিয়ে ফেলতে হবে। গোসলের সময়, আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে, বিছানায় শুয়ে বিভিন্ন সময়ে নির্দিষ্ট নিয়মে এই স্তন নিজ হাতে পরীক্ষা করতে হবে। দুটি স্তনের মধ্যে

আকৃতির পরিবর্তন হলে, স্তনে কোনো চাকা অনুভব করলে, স্তনের কোনো অংশের ত্বক পুরু হয়ে গেলে কিংবা ভিতরের দিকে কুঁচকে গেলে, স্তনবৃন্তে কোনো অংশ ভিতরের দিকে ঢুকে গেলে কিংবা চেপে ধরার পর রক্ত, পুঁজ বা কোনো ধরনের তরল নির্গত হলে সতর্ক হতে হবে। অস্বাভাবিক কোনো পরিবর্তন বা লক্ষণ প্রকাশ পেলে নিকটস্থ কেন্দ্রে চিকিৎসক বা প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত স্বাস্থ্যকর্মী দিয়ে স্তন পরীক্ষা করাতে হবে। স্বাস্থ্য টিপস

কী কী পরীক্ষা-নিরীক্ষা প্রয়োজন :

সন্দেহ হলে ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী

প্রাথমিকভাবে আল্ট্রাসনোগ্রাম, ম্যামোগ্রাম করতে হবে। এই পরীক্ষাগুলোতে সন্দেহজনক কিছু ধরা পড়লে পরবর্তীতে এফএনএসি বা প্রয়োজনে বায়োপসি লাগতে পারে। আমাদের সকলের জানা উচিত স্বাস্থ্য টিপস সম্পর্কে।

চিকিৎসা পদ্ধতি :

স্তন ক্যান্সারের কয়েক ধরনের চিকিৎসা পদ্ধতি রয়েছে। যেমন : সার্জারি, কেমোথেরাপি, রেডিওথেরাপি, হরমোন থেরাপি, টার্গেটেড থেরাপি ইত্যাদি। প্রাথমিক পর্যায়ে ধরা পড়লে অধিকাংশ রোগী সুস্থ হয়ে ওঠেন। ‘ক্যান্সারে নেই কোনো আনসার’Ñএ কথা আর মোটেই সত্য নয়।  দেশেই সব উন্নত চিকিৎসা এখন হাতের নাগালে। প্রয়োজন শুধু সচেতনতারÑনিজে সচেতন হোন, অন্যকেও সচেতন করুন।

১৬. মুখের বাদামী দাগ উঠাতে পাকা পেঁপে চটকে মুখে লাগান, পরে ধুয়ে ফেলুন।

১৭. নিঃশ্বাসের দুগন্ধ থেকে মুক্তি পেতে নিয়মিত দুই কোয়া করে কমলালেবু খান। দুই মাস পর এ সমস্য থাকবেনা।

১৮. সমপরিমান তুলসী পাতার রস ও লেবুর রস একসঙ্গে মিশিয়ে দুই বেলা নিয়মিত মুখে লাগান যেকোন দাগ মিলিয়ে যাবে।

১৯. অতিরক্ত শুষ্কতা থেকে মুক্তি পেতে মধু, দুধ ও বেসনের পেষ্ট মুখে লাগান নিয়মিত। এতে ত্বকের বলিরেখা ও দূর হয়ে যাবে।

২০. পায়ের গোড়ালি ফাটলে পেঁয়াজ বেটে প্রলেপ দিন এ জায়গায়।

২১. ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধির জন্য প্রতিদিন ১৫ গ্রাম করে মেৌরি চিবিয়ে খান। খুব কম সময়ে রক্ত শুদ্ধ হয়ে ত্বক উজ্জ্বল হয়ে উঠবে।

২২. মুখে কোন র্যাশ বের হলে অড়হর ডাল বাটা পেষ্ট লাগান র্যাশের উপর। কিছুক্ষণ রেখে ধুয়ে ফেলুন। দাগ থাকবেনা।

২৩. পিঠের কালো ছোপ তুলতে ময়দা ও দুধ এক সঙ্গে মিশিয়ে পিঠে দশ মিনিট ধরে ঘষবেন। এটা নিয়মিত করলে পিঠের ছোপ উঠে যায়।

২৪. মুখের তাৎক্ষনিক লাবণ্য আনতে একটা ভেষজ রুপটান আছে। আধা চা চামুচ লেবুর রস, এক চা চামচ মধুর সঙ্গে মিশিয়ে মুখে ও গলায় লাগান। পনের মিনিট পর ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এটা আপনার মুখকে আদ্র রাখবে। স্বাস্থ্য টিপস

হাত পায়ের সৌন্দর্য অক্ষুন্ন রাখতে

২৫. হাত পায়ের সৌন্দর্য অক্ষুন্ন রাখতে হাতে ও পায়ে আপেলের খোসা ঘষে নিন। এতে হাত ও পা অনেক বেশী ফর্সা দেখাবে।

শরীরের জন্য প্রয়োজন সবকিছুই

প্রতিদিন একই ধরনের খাবার কোনোভাবেই খাওয়া উচিত নয়৷ তাই প্রতিদিনের খাবারের তালিকায় বিভিন্ন রকমের ভিটামিন, মিনারেল এবং প্রোটিনযুক্ত খাবার রাখুন৷ তাছাড়া খাবারের গুণগত মানটাই বড়, খাবারের পরিমাণ নয়৷ এই যেমন, প্রোটিন শরীরের ওজন না বাড়িয়ে মানসম্পন্নভাবে শক্তি সরবরাহ করে, যা কোষের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয়৷ স্বাস্থ্য টিপস

আঁশযুক্ত খাবার

খাবারের তালিকায় যথেষ্ট পরিমাণে আঁশযুক্ত শষ্যদানা রাখুন৷ বিশেষ করে সকালের নাস্তায় সিরিয়ালের সাথে বিভিন্ন শষ্যদানা, গম, ভুট্টা, ফল এবং দই থাকতে পারে৷ এতে ঝটপট পেট ভরে এবং পেট পরিষ্কারও থাকে, অর্থাৎ কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে৷ তবে ফল মানেই আপেল, আঙুর নয়৷ বরং যখন যে ফল পাওয়া যায়, মানে মৌসুমি ফল খান৷ এতে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বাড়ে৷

ধীরে-সুস্থে চিবিয়ে খান

খাবার তাড়াহুড়ো করে খেলে বেশি খাওয়ার ভয় থাকে৷ এতে ওজন বাড়ে এবং তা হজমেও ব্যাঘাত ঘটায়৷ তাই খাবার ধীরে ধীরে চিবিয়ে খান৷ এতে অর্ধেক হজম হয়ে যায়৷ তাছাড়া আপনি কী খাচ্ছেন, কেন খাচ্ছেন – তা বুঝে শুনে খান, অর্থাৎ খাবার উপভোগ করুন৷ আপনি যা খাবেন, ঠিক সেরকমই ‘বোধ’ করবেন, অর্থাৎ আপনার ‘পারফরমেন্স’ নির্ভর করবে আপনার খাওয়ার ওপর৷ আর চেহারাতেও তার প্রমাণ ফুটে উঠবে৷ স্বাস্থ্য টিপস সম্পর্কে আমাদের জানা উচিত।

Email:mdaltaf1384@gmail.com Website:https://banglahealth24.com

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here